সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মডেল প্রভার সেক্স ভিডিও

দেখুন তো চিনতে পারেন কিনা?
 কে বলুন তো ? হা ঠিকই বুঝেছেন! এটা প্রভা ! কিন্তু ওর এই অবস্থা কেন? আরও দেখুন ভিডিও >>>>>>>
 প্রভার সাথে রাজিবের প্রেম। তাই রাজিবও প্রভাকে চুদে ফাক করে দিয়েসে। কিন্তু একা একা রাজিবই চুদেসে প্রভাকে তা নয় , সাথে সাথে পরিচালকরাও চুদেসে প্রভাকে, নইলে কি ওর গুদের এই অবস্থা হয়? দেখুন চুদে চুদে অর গুদের কি condition ? গুদটা একেবারে শেষ।
আর দুদ দুটো তো ঘাটা পরে গেছে। দুদ চুসে চুসে একেবারে শেষ। দুদ ঝুলে নাভির কছে চলে যেতে চাই।

 না না এভাবে দেখে মজা হবে না.........................................................


 ভিডিও দেখতে ডাউনলোড করতে হবে............................................................



















 
 

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ছোট মামীকে চোদার গল্প

ছোটমামী সম্ভবতঃ প্রথম নারী যাকে দেখে আমি উত্তেজিত হতে শিখেছি। ওনার বিয়ের সময় আমি ফোরে পরি। ওই বয়সে শরীরে যৌন চেতনা থাকার কথা না। কিন্তু কেন যেন ছোট মামা বিয়ে করবেন শোনার পর থেকেই আমি বালিশের কোনাটা আমার বুকে চেপে কল্পনা করতাম ছোটমামী তার বাচ্চাকে কীভাবে দুধ খাওয়াচ্ছে। আশ্চর্য এটা কেন যে কল্পনা করতাম এখনও মাথায় আসেনা। ওনাকে ভালো করে দেখার আগে থেকেই ওনার দুধের প্রতি আমার একটা আগ্রহ চলে আসে। সেই আগ্রহের মধ্যে কিছুটা হলেও লালসা ছিল। নয় বছরের একটা কিশোর এরকম কিছু ভাবছে, কেউ বিশ্বাস করবে? কিন্তু এটা খুব সত্যি। ছোটমামী আমার দেখা প্রথম নববধু। উনি আসলেই খুব সুন্দরী আর উদ্ভিগ্ন যৌবনা নারী ছিলেন। এরকম আর কেউ ছিল না আমার আত্মীয় স্বজনের মধ্যে। ফলে আমার মধ্যে একটা অবসেশান কাজ করতো ছেলে বেলা থেকেই। বড় হবার পরও ছিল সেটা। ছোটবেলার সেই অবসেশান বড় হবার পর চোদার খায়েশে পরিনত হয়েছিল। মামী তখন গ্রামে থাকতো। আমি যখন স্কুলের উপরের দিকে তখন একদিন আমার স্বপ্নপুরন হয়। পুকুরে গোসল করতে যাবার আগে মামী ব্রা আর ব্লাউজ খুলে শুধু শাড়ী পরে যেতেন, সেদিনও ব্রা-ব্লাউজ খুলে আমার পাশ দিয়ে যাবার সময় অভ্যেসবশতঃ…

শিলাকে চোদার রাত

আমার খালা মারা যান অনেকদিন রোগে ভুগে। খালার সবচেয়ে বড় মেয়ে শিলা। গ্রামের মেয়ে। বাড়িতে ওকে দেখার মতো আর কেই নেই। দুই ভাই শহরে থাকে। ভাইদের সাথে থাকার মতো সুযোগও নেই। তাই মা তাকে আমাদের বাসায় নিয়ে আসে। আমাদের বাসা ছিল অনেক বড়। আমার বড় ভাই ও বোন পড়ালেখার জন্য ঢাকায় থাকতো। বাসায় আমি, মা, বাবা আর শিলা থাকতাম। শিলা আমার চেয়ে বছর তিন বড় হবে। আমি তখন ক্লাস নাইনের ছাত্র। যৌবন জ্বালায় আমি পুড়ি প্রতিক্ষণ। তার মধ্যে একটি অতিবো সেক্সি মেয়ে যদি আশা পাশে ঘুরে বেড়ায়, তাহলে কেমন লাগবে!!!ঈদের পর বাবা-মা বিশেষ কাজে যেতে হলো গ্রামের বাড়িতে। আপু এবং ভাইয়া কলেজ খোলার কারণে আবারো চলে যায় ঢাকায়। আমি আর শিলা শুধু বাসায়!!! কিযে মজা লাগছিল তখন, লিখে বোঝাতে পারবো না। সারাদিন টিভি দেখে আর গল্প করে কাটালাম দুজনে। আমি যে তাকে বিছানায় নিজের করে পেতে চাই সেটা, তাকে কোন ভাবেই বুঝতে দিলাম না। কিন্তু তার চোখে আমি যৌনতা খুঁজে পেতাম। রাতের খাবার খেয়ে বললাম, আমি আপনার সাথে শুতে চাই। আমি একা একা ঘুমাতে পারবো না। প্রথমে সে রাজি হচ্ছিল না। পরে জোর করাতে রাজি হলো। আমি বড় বিছানার এক পাশে, আর শিলা অন্য পাশে। কিভাবে …